গোপালগঞ্জ-১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেছেন, একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষিত জাতি গঠনে দিন-রাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সদর এলাকায় অবস্থিত এম এ খালেক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুজ্জামান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, আমরা একটি আধুনিক, উন্নত ও সম্প্রীতির কাশিয়ানী গড়ে তুলতে চাই। এ অঞ্চলের জনগণ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অত্যন্ত আন্তরিক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা পুলিশের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তারাও উন্নয়ন ও সম্প্রীতির কাশিয়ানী গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।
নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ভবনটি নির্মিত হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
এ সময় তিনি ভবন নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কাজের মান বজায় রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
বক্তব্য শেষে এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল হক, সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান, উপসহকারী প্রকৌশলী ওহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী সজল দত্ত, উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. সেলিম, এম এ খালেক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক খন্দকার নিজামুল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাদের প্রত্যাশা, নতুন ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।