“মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি, সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি”—এই প্রত্যয়ে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোট ইউনিয়নে মাদক ও জুয়াবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) পরকোট দশঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরকোট ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বন্ধু মহলের সদস্য এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাটখিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মোন্নাফ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরকোট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ইউনুছ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দশঘরিয়া বাজার কমিটির সভাপতি মাহাবুব রাব্বানী, চাটখিল উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব জি এস ফরিদ আহাম্মেদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর, পরকোট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন পাপ্পু, সহসভাপতি শেখ ফয়েজ, পরকোট ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. সোহেল, সাধারণ সম্পাদক রিপন পাটোয়ারী, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানবীরা শাওন রবিন, ছাত্রদল নেতা মিলন, বন্ধু মহলের সহসভাপতি মুশফিকুর রহমান ডালিম ও সদস্য আরমান হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকরা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এটি একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাদকের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ, পারিবারিক সচেতনতা এবং সম্মিলিত নাগরিক উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার ও সমাজের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পরে মাদক ও জুয়াবিরোধী একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি দশঘরিয়া বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে চাটখিল থানা পুলিশের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।