সালমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় ব্যথিত রাশেদ খাঁন

সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
আজ রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সালমান মুক্তাদিরের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক এ সহকারী।
গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজের ভবন এবং ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ভেতরে দুপক্ষের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা!’
হামলার কারণ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেছেন, ‘নিউ গিনি প্রোপার্টিজের সংলগ্ন সাবেক কিছু সরকারি কর্মকর্তার ২৩ কাঠা জমি রয়েছে। এরমধ্যে ৮ কাঠা জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি অতীতে প্রভাব বিস্তার করে ৮ কাঠা জমি দখল করেছে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক আওয়ামী ঘনিষ্ঠ নাজিম উদ্দীন। যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় জেলও খেটেছেন।’
‘অতিসম্প্রতি তার কাছ থেকে ৫০০০ স্কয়ার ফিট জায়গা ভাড়া নিয়ে স্টুডিও করেছে সালমান মুক্তাদির। নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের মালিক নাজিম উদ্দীন অতিসম্প্রতি এমনভাবে তিনটা নতুন গেট দিয়েছে, যাতে ভেতরে অন্য জমির মালিকরা ঢুকতে না পারে। দখলের উদ্দেশে এমন করেছে বলে সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি। যেকারণে তারাও ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন ভাড়া করে গেট ভাঙতে গিয়ে নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙেছে।’
এ ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। বললেন, সরকারি সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারত। তা না করে পাল্টা পেশিশক্তি দেখাতে গিয়ে পুরোপুরি বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে দিতে একপ্রকার সহযোগিতা করেছে!
এ ঘটনায় বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। বললেন, দখল ও পাল্টা দখলের সঙ্গে বিএনপির কিংবা কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানে পরে যারা ইসলামী ব্যাংক দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সম্পদ নিজেদের দাবি করে দখল করা শুরু করেছিল, তারাই আজকে সব ঘটনায় বিএনপিকে দোষারোপ করে ভিলেন বানাতে অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।
সালমান মুক্তাদিরের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের উচিত ছিল, পুরো ঘটনা জেনে তারপর মন্তব্য করা, কিন্তু তিনি সব পক্ষের সঙ্গে কথা না বলে বিএনপির লোকজনকে চাঁদা দেয়নি বলে স্টুডিও ভেঙেছে মর্মে বক্তব্য দিলেন! আশা করি, এবার তিনি সত্যতা তুলে ধরবেন। আমরা জুলাইযোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য ব্যথিত। ইনশাআল্লাহ, দোষীরা যথাযথ শাস্তি পাবে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।’













